বিজয় মালিয়ার সঙ্গে ২০১৪ সালের পর তাঁর আর কোনও বৈঠক হয়নি। কেবল সংসদে তাঁর সঙ্গে একবার দেখা হয়েছিল। তখন বিজয় মালিয়ার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। বিজয় মালিয়া সাংসদ হওয়ার সুবাদে এই সুযোগ পেয়েছিলেন। তখন তিনি ব্যাঙ্কের বিষয়টি মিটমাট করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি নিজে বিষয়টিতে না ঢুকে ব্যাঙ্কের সঙ্গে তাঁকে কথা বলার পরামর্শ দেন। বুধবার বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি।
এদিন লন্ডনে বিজয় মালিয়া সাংবাদিকদের জানান তিনি দেশ ছাড়ার আগে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তারপর দেশ ছাড়েন। এই বক্তব্য সামনে আসার পরই কংগ্রেস থেকে শুরু করে বিরোধী দলগুলি একে একে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগা শুরু করে। কংগ্রেস দাবি করে তারা বারবার বলেই আসছিল যে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকা লোকজনকে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার।
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…
কিটক্যাট অনেকেরই পছন্দের। সেই কিটক্যাট মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে গেল। ১টা ২টো নয়, ৪ লক্ষের…
স্থানীয় ভাষায় বলা হয় দণ্ডবৎ যাত্রা। সহজ করে বললে দণ্ডি কাটা। বিবাহবিচ্ছেদের আনন্দ উদযাপন করতে…
মেষ রাশির আজকের দিনটা কেমন কাটতে চলেছে, রাশিফল ও দৈনিক সময়সূচী অনুযায়ী প্ল্যানিং করুন আজ…