মানুষ ২০০ বছরও বাঁচতে পারে, উপায় লুকিয়ে আছে অতিকায় প্রাণিতে, বলছে গবেষণা
ব্যতিক্রম হলেও মানুষ খুব বেশি হলে ১২০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। সাধারণভাবে মানুষের গড় আয়ু ৭২ থেকে ৭৩ বছর। একটি গবেষণা বলছে মানুষ কিন্তু ২০০ বছরও বাঁচতে পারে।
মানুষের জীবন খুব বড় নয়। বর্তমানে যা হিসাব তাতে দেখা যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু ৭২ থেকে ৭৩ বছরে ঘোরাফেরা করছে। কিছু মানুষ দীর্ঘজীবী হন। তাঁদের একাংশ শতবর্ষ পার করেন। অনেকসময় ১০০ বছর পার করেও বেশ কয়েক বছর বেঁচে থাকেন।
তবে তার সংখ্যাটা নগণ্য। কিন্তু মানুষ আরও বেশিদিন বাঁচতে পারে। সে উপায় রয়েছে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। আর সে উপায়ের খোঁজ তাঁরা পেয়েছেন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ প্রাণি তিমি মাছের মধ্যে।
সব প্রজাতির তিমি নয়, বোহেড তিমিদের পরীক্ষা করে এক অন্যই কথা জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। নেচার পত্রিকায় এই সংক্রান্ত গবেষণালব্ধ ফল প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে গবেষকেরা জানাচ্ছেন, এই বোহেড তিমি প্রায় ২০০ বছর বেঁচে থাকে।
তাদের দেহে এক ধরনের বিশেষ প্রোটিন খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রোটিনই তাদের এই দীর্ঘজীবনের রহস্য। এই প্রোটিন ডবল স্ট্যান্ডার্ড ডিএনএ ব্রেক মেরামত করতে সক্ষম।
এই ধরনের ডিএনএ যে কোনও প্রাণির বয়স বাড়া, দেহে ক্যানসারের মত রোগের প্রাদুর্ভাব তৈরি করা এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়। যদি এই ডিএনএ মেরামত করে ফেলা যায় তাহলে এগুলির সম্ভাবনা কমবে। যা করতে পারে বোহেড তিমির বিশেষ প্রোটিন। যা তাদের দেহে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।
এই প্রোটিনকে কাজে লাগাতে পারলে মানুষের বার্ধক্যকে অনেক দিন পর্যন্ত আটকে রাখা যাবে। ক্যানসারের মত রোগ থেকে অন্য রোগ প্রতিরোধ করা যাবে।
এটি যদি আগামী দিনে ওষুধের রূপ নিয়ে মানুষের জীবনে আসে তাহলে তা মানুষকে অনেক রোগ থেকে দূরে রাখবে। তাঁদের দেহে বার্ধক্যকে সহজে থাবা বসাতে দেবেনা। যার আখেরে ফল হবে দীর্ঘায়ু।
যা ২০০ বছর পর্যন্তও দীর্ঘ হতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এই প্রোটিনের খোঁজ পাওয়া গেলেও তা নিয়ে আরও অনেক গবেষণার প্রয়োজন আছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।













