HoroscopeHoroscope Bengali Year

কর্কট রাশির ১৪২৮ বাংলা বছরটা কেমন কাটবে – শিবশংকর ভারতী

১৪২৮ সালের ১ বৈশাখ থেকে চৈত্র সংক্রান্তি পর্যন্ত কর্কট রাশির মোটামুটি বছরটা কেমন যাবে তার সম্ভাব্য ফলাফল লিখতে চেষ্টা করেছি।

একদিকে দুঃখ শোক গ্লানি অহংকার যেমন, তেমনই অন্যদিকে সুখশান্তি আনন্দ ত্যাগ বৈরাগ্য। কর্কট সম রাশি বলে সংসারে সুখ দুঃখ শোককে এই রাশির জাতক জাতিকারা অস্বীকার করে না,সাদরে গ্রহণ করে।

এদের মধ্যে একদিকে রয়েছে স্নেহ উদারতা,অন্যদিকে রয়েছে নির্দয়তা। মঙ্গলের রজোগুণ ও শনির তমোগুণের সংমিশ্রণে এদের ক্রোধ কখনও কখনও প্রবল হয়ে ওঠে। অহংকার ও দম্ভের প্রকাশ যোগ্যতার চাইতে বেশি।

স্ত্রীর কাছ থেকে মন মতো ব্যবহার না পেলে প্রায়ই অন্য রমণীর আশ্রয় খুঁজে নিতে চেষ্টা করে। এদের নেতৃত্ব দেবার ইচ্ছা থাকে জীবনের প্রথমাবস্থা থেকে। শনির তমোগুণের প্রভাবে জীবনে দুঃখবাদের ভারী বোঝাটাই বয়ে নিয়ে বেড়াতে হয় বেশি।

এখানে যে ফলাফল লেখা হল তা একেবারেই অনুমানভিত্তিক। বিষয়টা একটু খোলসা করে বলা যাক। রাশি এক হলেও নক্ষত্র ভেদে এক এক জাতক-জাতিকার মানসিক গঠন, চিন্তাভাবনা, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জীবনপ্রবাহ এক একরকম হয়ে থাকে; এর সঙ্গে থাকে জন্মকালীন রাশিচক্রে শুভাশুভ গ্রহের অবস্থান। রাশি এক হলেও নক্ষত্র ইত্যাদি ভেদে ফলাফলের তারতম্যটাই স্বাভাবিক। অত্যন্ত সূক্ষ্ম বিচার করে ফলাফল লেখা সম্ভব হয় না। প্রত্যেকটা রাশির কোনও একটা নক্ষত্রকে ধরে নিয়ে গড়ে একটা অনুমানভিত্তিক শুভাশুভ ফল লেখা হয়। ফলে কারও ফল মেলে দারুণভাবে, কারও কিছু কিছু, কারও বা একেবারেই নয়। যাইহোক, এখন দেখা যাক কর্কট রাশির বছরটা কেমন কাটবে।

সময়টা গতবছর ভালো ছিলনা, এবছরও তেমন ভালো নয়। শারীরিক ও মানসিক উদ্বেগ ও অশান্তি বাড়বে। কর্মক্ষেত্র চলবে বাধার মধ্যে দিয়ে। প্রত্যাশিত অর্থাগমেও বাধা পড়বে। বেশ দেনায় পড়তে পারেন। আত্মীয়দের সহায়তা লাভের আশা নেই। পায়ে বড় ধরণের আঘাত লাগার যোগ। শত্রু বাড়বে। উটকো ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া আর ব্যয় বাড়বে হইহই করে। কোনও প্রাচীন মন্দির ভ্রমণ, সামান্য কিছু হঠাৎ অর্থলাভ হবে। কর্মপ্রার্থীদের সময়টা হতাশার। বাতের রোগীদের শারীরিক কষ্ট বাড়বে। প্রেমিক প্রেমিকাদের অনেকেরই ঘনিষ্ঠ প্রেমে ফাটল ধরবে। কর্কট লগ্নের দেহমন সংসার ও অন্যান্য সার্বিক চাপ অস্বস্তিতে কাটবে।

এখানে যে প্রতিকারগুলি রাশি অনুযায়ী করা হল তা শুধুমাত্র এক বছরের জন্য। প্রতিকারগুলি আমার মনগড়া কোনও কথা নয়। বিভিন্ন সময়ে ভারতের নানা প্রান্তে ভ্রমণকালীন পথচলতি সাধুসঙ্গের সময় লোক-কল্যাণে সাধুদের বলা প্রতিকারগুলিই এখানে করা হল।

কি করলে একটু ভালো থাকবেন : প্রতি শুক্রবার কোনও মহিলা ভিখারিকে যে কোনও একটা ফল আর যা মন চায় কিছু পয়সা দেবেন। চেষ্টা করবেন সারা বছরে একটা শুক্রবার যেন বাদ না যায়। কাজটা চলতে থাকলে কর্মজীবন, সংসার ও প্রতিষ্ঠা জীবনে চলার পথের বাধা অস্বস্তির হাত থেকে বহুলাংশে মুক্তি পাবেন।

কি রঙের পোশাক পরবেন : কালো, খয়েরি এবং যে কোনও গাঢ় রঙের পোশাক একেবারে বর্জন করলে ভালো হয়। অন্য কোনও হালকা রঙের পোশাক চলবে। সবচেয়ে ভালো হয় সাদা আর খুব হালকা হলুদ পরলে। মিষ্টি আকাশিও পরতে পারেন। এগুলি সব সাফল্য ও আনন্দের এই রাশির পক্ষে। বাড়ির রঙের যে কোনওটা করা যেতে পারে অসুবিধা না থাকলে।

সব কথা মিলবে, এমনটা ভাববার কোনও কারণ নেই। এখানে রাশির ওপর ভিত্তি করে ভাগ্যফল নিয়ে যা লেখা তা অভিজ্ঞতায় দেখা একটা আভাস মাত্র। এটাই বাস্তব সত্য বলে ধরে নিয়ে চলাটা কোনও কাজের কথা নয়, চলার কারণ আছে বলেও মনে হয় না।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button