Horoscope

মিথুন রাশির ১৪২৭ বাংলা বছরটা কেমন কাটবে – শিবশংকর ভারতী

১৪২৭ সালের ১ বৈশাখ থেকে চৈত্র সংক্রান্তি পর্যন্ত মোটামুটি বছরটা কেমন যাবে তার সম্ভাব্য ফলাফল লিখতে চেষ্টা করেছি।

ব্যক্তিগত রাশি অনুসারে ‘ফল’ কতটা মিলবে তা দিয়েই শুরু করা যাক। এখানে যে ফলাফল লেখা হল তা একেবারেই অনুমানভিত্তিক। বিষয়টা একটু খোলসা করে বলা যাক। রাশি এক হলেও নক্ষত্র ভেদে এক এক জাতক-জাতিকার মানসিক গঠন, চিন্তাভাবনা, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, জীবনপ্রবাহ এক একরকম হয়ে থাকে; এর সঙ্গে থাকে জন্মকালীন রাশিচক্রে শুভাশুভ গ্রহের অবস্থান। রাশি এক হলেও নক্ষত্র ইত্যাদি ভেদে ফলাফলের তারতম্যটাই স্বাভাবিক। অত্যন্ত সূক্ষ্ম বিচার করে ফলাফল লেখা সম্ভব হয় না। প্রত্যেকটা রাশির কোনও একটা নক্ষত্রকে ধরে নিয়ে গড়ে একটা অনুমানভিত্তিক শুভাশুভ ফল লেখা হয়। ফলে কারও ফল মেলে দারুণভাবে, কারও কিছু কিছু, কারও বা একেবারেই নয়। যাইহোক, এখন দেখা যাক মিথুন রাশির বছরটা কেমন কাটবে।

এ বছর কর্মজীবনে পেশা বা ব্যবসায় মাঝে মধ্যে বেশ উৎসাহ বোধ করবেন আবার কখনও নিরুৎসাহিত হবেন। তবে কর্মক্ষেত্রের সার্বিক অবস্থা থাকবে সুন্দর ও সচল। পেশায় যারা আছেন তাদের কর্মক্ষেত্রে আগের তুলনায় যোগাযোগ বেশ খানিকটা বাড়বে। চাকুরিয়াদের মনের অস্বস্তি বাড়বে বড্ড বেশি।

যথেষ্ট অর্থাগম যেমন হবে তেমন জলের মতো অর্থ ব্যয়ও হবে। নিয়মিত আয়ের তুলনায় যে কোনও ভাবে আয় অনেকটাই বাড়বে। কোনও নতুন যোগাযোগে আর্থিক উন্নতি হবে। গত বছরের তুলনায় এ বছর আর্থিক উন্নতির পথ অনেক সুগম হবে।

স্বাস্থ্যটা প্রায়ই বড্ড ভোগাবে। দেহ ও মনের কোনও স্বস্তি থাকবে না। একটা না একটা শারীরিক অস্বস্তি দেহ ও মনকে বড্ড বিব্রত করে রাখবে। স্বাস্থ্যের কারণে বেশ কিছু অর্থ নষ্ট হবে। স্বাস্থ্য সতর্কতা প্রয়োজন।

আপনি চেষ্টা করেন সময়ের কাজ সময়ে করতে, কথা দিলে কথা রক্ষা করতে, এ বছর আপনার নিয়ম নীতির বিরুদ্ধ ভাবাপন্ন মহিলা পুরুষ জুটবে বেশি, ফলে স্বাভাবিক কারণে পুরনো ও নতুন পরিচিতদের অধিকাংশের সঙ্গেই প্রীতির সম্পর্ক কারও সঙ্গে সাময়িক, কারও সঙ্গে চিরকালীন ছিন্ন হতে পারে। এ বছর নিয়ম নীতিহীন মানুষের সান্নিধ্যে আসবেন বেশি।

বছরে বেশ কয়েকবার কাছাকাছি ও দূরপাল্লায় ভ্রমণে যাবেন তবে দেহ বা মনের কারণে এক আধবার যাওয়ায় বাধা পড়তে পারে। তবে দেবালয়ে ভ্রমণ মাঝে মধ্যেই অব্যাহত থাকবে। এবছর অনেক ধর্মকামীরই দীক্ষালাভ হবে তবে মানুষের মনকে ক্রাইম করা ক্রিমিনাল ধর্মবিরোধী গুরুকে এড়িয়ে চলুন যারা এক ঘরে বসিয়ে একাধিক ধর্মার্থীকে একসঙ্গে দীক্ষা দেয়। দীক্ষা নেওয়ার আগে বিষয়টা জেনে নিয়ে পরে দীক্ষা নেওয়া কর্তব্য।

কোনও ভালো মানুষের সঙ্গলাভে নতুন কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন। সম্মান ও যশের ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। আগে যাওয়া হয়নি এমন জায়গা বা দেবালয়ের পেয়ে সেখানে যেতে পারেন।

এ বছর নানান ধরণের বিভিন্ন দ্রব্য ও উপহার প্রাপ্তির সংখ্যা বাড়বে যেগুলি সত্যি একটু দামি। ভাল ও বেশি দামের জিনিস দেওয়ার লোকের সংখ্যা এখন নেহাতই কম। উদাহরণে বলি, যে সব পেন ব্যবহারের অনুপযুক্ত সেই সব পেন আমি প্রতিবছর গাদাগাদা উপহার পাই।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button